আমাদের কথা
রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলাধীন মৃগী ইউনিয়নের অন্তর্গত আখরজানী গ্রামীন পরিবেশে আখরজানী উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৭৪ খ্রিঃ মাধ্যমিক হিসাবে পথ চলা শুরু হয়। এবং ২০০৭ খ্রিঃ কারিগরি শিক্ষা চালু হয়।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
আখরজানী উচ্চ বিদ্যালয়টি রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের অন্যতম সুপরিচিত ও প্রসিদ্ধ নাম। বিদ্যালয়টি রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্রেই অবস্থিত। এ বিদ্যালয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অদম্য প্রচেষ্টায় অত্র বিদ্যালয়টি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতোমধ্যে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এ বিদ্যালয়টি দেশ বিদেশের সুনাম অর্জনে সক্ষম হয়েছে। প্রতি বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধিনে অনুষ্ঠিত এসএসসি সার্টিফিকেট পরীক্ষা ও ভোক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে জিপিএ-৫সহ শতভাগ পাশ করে অনেকেই বৃত্তিপ্রাপ্ত হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে সনদ প্রাপ্ত হয়ে হাজারো পড়াশুনা দেশ-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করছে। এছাড়া অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের একডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা যেমন: কম্পিউটার, ইলেকট্রিক্যালসহ বিভিন্ন হাতের কাজ শিক্ষা দেয়া হয়। সার্বিক দিক দিয়ে এ বিদ্যালয়টি অত্র এলাকার ইসলাম ও আধুনিক ম্যূল্যবোধের এক অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিদ্যালয়টি তার মহান লক্ষ্য অর্জনে সুখ্যাতি ও কৃতিত্বের সাক্ষর রেখে চলেছে দেশ বিদেশে। বিদ্যালয়টি উত্তরোত্তর উন্নতি-অগ্রগতি ও সুনাম অর্জনে সুবিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলীর অক্লান্ত পরিশ্রম করে চেলছে। সর্বোপরি মহান রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমত ও করুণার দৃষ্টিই বিদ্যালয়টি চলার প্রধান পাথেয়।
প্রধান শিক্ষক
আখরজানী উচ্চ বিদ্যালয়
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ সকলের কাছে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার জন্য শিক্ষার মূল ধারণার আমূল পরিবর্তনের দরকার আছে। এই লক্ষ্যে বিদ্যালয়টি একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করে চলেছে। এই ব্যাপারে নীতিগত পথনির্দেশিকাও বিদ্যালয়ের রয়েছে। শিক্ষাকে সর্বজনীন করার মধ্য দিয়ে সামাজিক সাম্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ মেলে। যদি সামাজিক ব্যবস্থায় এই মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত করতে হয় তবে বিনা সাহায্যপ্রাপ্ত বেসরকারি বিদ্যালয় সহ সব বিদ্যালয়কে সমাজের অবহেলিত অংশ এবং দারিদ্র্যসীমার নীচের যথেষ্ট পরিমাণ ছেলেমেয়েকে ভর্তি নিয়ে শিক্ষাকে সর্বজনীন করার পথে এগিয়ে আসতে হবে। এটাই বিদ্যানিকেতনের মূলমন্ত্র। ক। সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সন্তানদের সল্প খরচে মানসম্মত শিক্ষাপ্রদান। খ। নিরলস জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা । গ। শিক্ষার্থীদের চিন্তায়, চেতনায় এবং কর্মে সৃজনশীলতা, জনকল্যাণ ও মানব সেবাবোধ জাগ্রত করে তোলা । ঘ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রয়োজনীয় অনুশীলন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শৃঙ্খলাবোধ, শ্রমের মর্যাদা, নৈতিক, মানবিক, সামাজিক,আচরণিক ও ধর্মীয় মূল্যেবোধ জাগ্রত করা । ঙ। শিক্ষার্থীদের মননে-কর্মে ব্যবহারিক জীবনে মূল্যবোধ ও চারিত্রিক গুনাবলি উম্মেষ ঘটানো । চ। শিক্ষার্থীদের জাতীয় জীবনে সকল স্তরে নেতৃত্বদান ও কর্ম সম্পাদন যোগ্যতা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা। ছ। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পরবর্তী উচ্চ শিক্ষার স্তরের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলা । জ। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ একটি প্রত্যয়, একটি স্বপ্ন, এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাত্র-ছাত্রীদের কর্মতৎপর হিসেবে গড়ে তোলা। চ। শিক্ষার্থীদের জাতীয় জীবনে সকল স্তরে নেতৃত্বদান ও কর্ম সম্পাদন যোগ্যতা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা। এইসব লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে অত্র বিদ্যালয়টি দেশ ও সমাজের কাছে একটি অনুকরণীয় মডেল হিসাবে উপস্থাপন করার অক্লান্ত পরিশ্রমে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ , শিক্ষক , শিক্ষার্থী ও অন্যান্য শুভাকাঙ্ক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।